উত্তম জীবন সঙ্গীনী লাভের কুরআনি দোয়া

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি :

উত্তম জীবন সঙ্গী সবারই প্রত্যাশা। প্রত্যেক নারীই উত্তম স্বামী আর প্রত্যেক পুরুষই উত্তম স্ত্রীর আকাঙ্খা করে। এ প্রত্যাশা পুরণে আল্লাহর ওপর একান্ত আস্থা ও বিশ্বাসের বিকল্প নেই। আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের দোয়া শিখিয়েছেন।

অনেক মানুষই জানতে চায় কিংবা দুঃশ্চিন্তায় থাকে যে, কিভাবে উত্তম স্বামী কিংবা স্ত্রী পাওয়া যায়। আবার বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীও জানতে চায় কিভাবে উত্তম সন্তান লাভ করা যায়। তাদের জন্যই এ কুরআনি আমল-

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ : ‘রাব্বানা হাব্লানা মিন আযওয়াঝিনা ওয়া জুর্রিয়াতিনা কুর্রাতা আইয়ুনিও ওয়াঝআলনা লিলমুত্তাক্বিনা ইমামা।’

অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করুন। যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে (পুরুষদেরকে) মুত্তাকি লোকদের নেতা বানিয়ে দাও।’ (সুরা ফুরক্বান : আয়াত ৭৪)

যারা মহান আল্লাহর কাছে উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের প্রত্যাশা করে, তাদের উচিত মহান আল্লাহর কাছে তারই শেখানো ভাষায় আবেদন করা। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনুল কারিমে বান্দাকে উত্তম স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভের দোয়া শিখিয়েছেন। যেসব স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান একে অন্যের চোখকে শীতল করবে।

কুরআনুল কারিমের এ আয়াতের আমলে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক পুরুষকেই এমন উত্তম স্ত্রী ও সন্তান দান করবেন, যাদের দেখে পুরুষদের মন শান্ত হয়ে যাবে।

পক্ষান্তরে যে সব নারী এ দোয়ার আমল করবে, আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা সেসব স্ত্রীদেরকেও নয়নজুড়ানো স্বামী ও সন্তান দান করবেন।

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার শেখানো ভাষায় তারই কাছে উত্তম জীবনসঙ্গী ও সুসন্তান লাভের দোয়া করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনি আমলের মাধ্যমে উত্তম জীবনসঙ্গী ও সুসন্তান লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আওয়ামীলীগের যুলুমবাজ হওয়ার পিছে মূলত বিএনপি দায়ীঃ কথিত ফেসবুকার রুম্মান আকবর

পাঠক মহলের কাছে প্রথমেই যে কথাটি বলবো তা হলো, আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ এর অবস্থান কি বর্তমানে?
আপনি যদি বলেন ভালো তাহলে এই অপবাদ কি কারনে দেওয়া হলো? আপনি যদি বলেন খারাপ তাহলে এর দায় বিএনপির ঘাড়ে কি কারনে যাবে? বিএনপি কি আওয়ামীলীগ কে যুলুমবাজ বানিয়েছেঃ
ছুপা ইহুদিবাদী রুম্মান আকবর নামক কথিত ফেসবুকার এর স্ট্যাটাস হুবুহু নিচে তুলে ধরা হলোঃ
///দেশের আজকের এই অবস্থার জন্য ১মাত্র দায়ী হচ্ছে বিএনপি। বিএনপি'র ভুল সীমাহিন।
১ম ভুলঃ যার হাত ধরে বাংলাদেশের সাঁজোয়া বাহিনী গড়ে উঠেছিলো সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেশে থাকতে না দেয়া! বহু বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা! যদিও তাদের কোন দোষই ছিলো। আমি এটাই বুঝি না- সার্বভৌমত্বকে ভালোবাসা কি অপরাধ? আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার খাতিরে ২/১টা কেন ১টা পুরো জাতীকেই শেষ করে দেয়াটা দোষের কিছুই নয়।
২য় ভুলঃ গণতন্ত্রের বীজ বোনা। শেখ সাহেবের শাসনামলে ও জিয়ার শাসনামলের ১ম দিকে বাংলাদেশে ঢালাও গণতন্ত্র ছিলো না। তাতে কি দেশ খারাপ ছিলো। স্বাধীনতার পর দেশ খারাপ ছিলো অন্য কারণে- তন্ত্র মন্ত্রের কারণ নয়। অথচ জিয়া বহু দলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনলেন!! কেন তার সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কেউই কি(রাজাকার বাদে) টু শব্দ করেছিলো? কেউই করেনি- ভারতের পা চাটা কুত্তা অর্থাৎ রাজাকার বাদে।
৩য় ভুলঃ সামরিক বাহিনীকেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া! এতখানী স্বাধীনতা দেয়া যে মঞ্জুর জিয়ার সামনেই টেব্‌ল চাপরে কথা বলতো ও কোন বিষয়ে দ্বিমত থাকলে সাথে সাথে প্রতিবাদ করতো। সামরিক রীতি অনুযায়ী এটা ১টা মহা অযোগ্যতা। তবুও জিয়া মঞ্জুরের বিরুদ্ধে সাথ সাথে কোন ব্যবস্থা নেননি! খেসারত সরুপ তিনি নিজেই মঞ্জুরের ব্যবস্থার শিকার হয়েছিলেন।
৪র্থ ভুলঃ খালেদা জিয়ার অতি গণতান্ত্রিক মনোভাব! খামোখা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। বিএনপি যে গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে-তা আসলেই তাকে মানায়। কারণ গণতন্ত্র চর্চা করতে গিয়েই তারা আজ নিঃচিহ্ন প্রায়।
৫ম ভুলঃ মূর্খতা, এটাই বিএনপি'র সবচেয়ে বড় ভুল। ভাই মেজর সাঈদ ইস্কান্দারের অনুরোধে খালেদা জিয়ার মঈনকে সেনাপ্রধান বানানো। সাঈদ ইস্কান্দার নিজের ব্যাচমেট বিধায় মঈনের জন্য বোনের কাছে সুপারিশ করেছিলেন। খালেদার মোটেও উচিত হয়নি- ভারতের দালাল মঈনকে সেনাপ্রধান করা। বুঝি না মানুষ একই বারবার করে কি করে!!! এর আগেও ভারতের দালাল নাসিম শয়তানটা গাদ্দারী করেছিলো। কারণ ১টাই দলের পরীক্ষিত লোককে সেনাপ্রধান না বানিয়ে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া। এসব কারণেই আজ বিএনপির এই করুণ দশা।///
পোষ্ট লিঙ্কঃ http://bit.ly/2QA8aNZ যদি ডিলিট করে দেয় তবে আর্কাইভ লিঙ্কঃ http://archive.fo/Ch5mG
এবার পাঠক নির্ধারণ করেন দেশ কি খারাপ নাকি ভালো। আর খারাপ হলে এর দায়ভার বিএনপি কিভাবে নেয়?

রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় কারা?

রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় কারা?
প্রশ্ন: হাদীসে এসেছে, আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ইসলামের দৃষ্টিতে সে সব আত্মীয় কারা?
——————————
উত্তর:
ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বলতে বুঝায়, মা ও বাবার দিক থেকে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দেরকে। সুতরাং –
🔘 মা, নানী, নানীর মা…দাদী, দাদীর মা… এবং তাদের উর্ধস্তন নারীগণ।
🔘 দাদা, দাদার পিতা…, নানা, নানার পিতা… এবং তাদের উর্ধস্তন পুরুষগণ।
🔘 ছেলে, মেয়ে, তাদের সন্তান-সন্তুতি এবং তাদের অধ:স্তন ব্যক্তিবর্গ।
🔘 ভাই, বোন, তাদের সন্তান-সন্তুতি এবং তাদের অধ:স্তন ব্যক্তিবর্গ।
🔘 চাচা, ফুফু, মামা, খালা এবং তাদের সন্তানগণ
এরা সবাই আরহাম বা রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের অন্তর্ভূক্ত। এদের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করা জান্নাতে প্রবেশের অন্যতম কারণ বলে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তাছাড়া আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَأُولُو الْأَرْحَامِ بَعْضُهُمْ أَوْلَىٰ بِبَعْضٍ
“বস্তুতঃ যারা (রক্ত সম্পর্কীয়) আত্নীয়, আল্লাহর বিধান মতে তারা পরস্পর বেশী হকদার।” (সূরা আনফাল: ৭৫)
আর নবী সা. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন কারী জান্না‌তে প্র‌বেশ কর‌বে না বলে ঘোষণা করেছেন। যেমন,
জুবাইর বিন মুতঈম (রা) থে‌কে ব‌র্ণিত যে, তি‌নি নাবী (স) কে বল‌তে শু‌নে‌ছেন যে,
(لا يدخل الجنة قاطع الرحم)
“আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্না‌তে প্র‌বেশ কর‌বে না।” [বুখারী ও মুস‌লিম]
এছাড়া ও মর্মে বহু হাদীস রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, স্ত্রীর নিকটাত্মীয়গণ স্বামীর নিকটাত্মীয় নয়। অনুরূপভাবে স্বামীর আত্মীয়গণ স্ত্রীর নিকটাত্মীয় নয়। ত‌বে তাদেরকে সাহায্য সহ‌যে‌া‌গিতা কর‌া এবং তাদের সাথে সদারণ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামে এটি ভা‌লো কা‌জের অন্তর্ভুক্ত এবং এ মাধ্যমে সওয়াব হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তওফিক দানকারী।
আল্লাহু আলাম।

হস্ত মৈথুন করলে ধ্বংস হয় জীবন।

হস্ত মৈথুন করলে ধ্বংস হয় জীবন।
-বর্তমান যুবকদের জীবন যৌবন বাঁচাতে খুবই দরকারী পোষ্ট কষ্ট করে পোষ্ট-টি পড়ুন দেখবেন আপনার জীবন বদলে গেছে। এবং শেয়ার করে অন্যজনের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করুন।
-হস্ত মৈথুন! অর্থাৎ নিজ হাত দ্বারা নিজে নিজের বীর্যপাত করা। বর্তমান সময়ে যুব সমাজ ধ্বংসের অন্যতম একটি মারাত্মক মহামারী ব্যাধির হচ্ছে হস্ত মৈথুন আর এই মহামারী ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের যুব সমাজ। ঘুনে ধরা মস্তিষ্কের অধিকারী কতিপয় যুবক যুবতীবিবাহের দ্বার অবরুদ্ধ দেখে। নিজেদের নিজ হাত দ্বারা হস্ত মৈথুন করে নিজে নিজের হাত দিয়ে বীর্যপাত করে স্বীয় জীবনের যৌবনকে ধ্বংস করতে আজ দ্বিধা করছেনা।
প্রথমে প্রথমে সে কাজ তৃপ্তিদায়ক মনে হয়, কিন্তু যখন চোখ খুলে যায়, তখন যে সে কাজ কই যে চলে যায় তাহ বলার ভাষা রাখে না, স্মরণ রাখবেন! এই কাজ হারাম ও গুনাহে কাবীরা।
আসুন আমরা আরও জানি…. কি তার ভয়াবহতা।
ইসলামের দৃষ্টি থেকে হস্ত মৈথুন কী? ও কী হয় তার ক্ষতি ও বৈজ্ঞানিক কুফল। ইসলামে এ কাজ খুবই অপছন্দনীয়।ও শরীয়ত কর্তৃক কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। জঘন্য নাজায়েজ ও হারাম। আর এ কাজ মহান আল্লাহ্ তা’ আলার স্মরণ থেকে মুসলিমদের অনেক দূরে রাখে। হস্তমৈথুনের ধ্বংসাত্মক ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক সূরা বাকারার ১৯৫ নং আয়াতে ইরশাদ করেছেন:
ﻭﻻ ﺗﻠﻘﻮﺍ ﺑﺄﻳﺪﻳﻜﻢ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺘﻬﻠﻜﺔ
” তোমরা নিজ হাতদ্বয় দিয়ে নিজেদের ধ্বংসের পথে ঠেলে দিও না।” এই আয়াতের তাফসিরে বলা হয়েছে নিজ হাত দ্বারা নিজের ধ্বংশ যে সমস্ত কাজ রয়েছে হস্ত মৈথুন অন্যতম কারণ তা একদম নিজ হাতেই করা হয়।
অর্থাৎ তোমরা নিজ হাত দিয়ে নিজে বীর্যপাত করিওনা এবং নিজের ধ্বংস নিজে ডেকে আনিওনা।
হাদিস শরীফে, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম বলেন যে ব্যক্তি হস্ত মৈথুন করবে সে অভিশপ্ত।( ফাতাওয়ায়ে রযভীয়্যা,১০ খন্ড,পৃষ্ঠা ৮৬) আলা হযরত আলাইহি রহমা, হস্ত মৈথুন সম্পর্কে লিখেছেন, এই কাজ অপবিত্র, হারামও নাজায়েজ। ফাতাওয়ায়ে রযভীয়্যা,১০ খন্ড,পৃষ্ঠা ৮৭) আমার প্রিয় যুবক ভাইয়েরা হাদীস শরীফে হস্ত মৈথুন কারীকে মালউন অভিশপ্ত বলা হয়েছে এবং তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের বেদনা দায়ক শাস্তি ।
এ কাজ করলে পরকাল যেমন নষ্ট হয়ে যায় এবং ইহকালেও তার জন্য প্রচুর ক্ষতির কারণ হয়ে যায়। স্বভাবগত অভ্যাস দ্বারা তারা স্বাস্থ্যও ভেঙ্গে পড়ে নষ্ট হয়ে যায় কারণ এ কাজ এক বার করার পর বার বার পুনরায় সে কাজ করতে ইচ্ছে হয়। কয়েক বার সে কাজ করলে পুরুষাঙ্গে ফুলি চলে আসে এবং সে ও পুরুষ অঙ্গের নরম ও সূক্ষ রগসমূহ বার বার হাতে ঘর্ষণের ফলে ডিলে হয়ে যায় এবং পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ হয়ে পড়ে। অবশেষে অবস্থা এ পর্যায়ে গিয়ে দাড়ায় যে, কোন নারীর প্রতি সামান্য কু-দৃষ্টিপাত করলে কিংবা কোন নারীকে জল্পনা কল্পনা করলে সাথে সাথে বীর্য বের হয়ে পড়ে। এমন কি কাপড়ের সাথে পুরুষাঙ্গ ঘর্ষণের ফলেও বীর্য বের হয়ে যায়। বীর্য সে রক্ত থেকে সৃষ্টি হয়, যা সমস্ত শরীরে খাদ্য পৌঁছানোর পর অবশিষ্ট থাকে। যখন প্রচুর পরিমাণে বীর্য নির্গিত হতে থাকে তখন রক্ত সমস্ত শরীরে কীভাবে খাদ্য পৌঁছাবে? ফলশ্রুতি-তে শরীরের যাবতীয় কার্যক্রম লন্ডবন্ড হয়ে যায় সাথে হস্ত মৈথুন করলে অর্থাৎ নিজে নিজ হাত দ্বারা বীর্যপাত করলে এ কাজে ছাব্বিশ টি শারীরিক মারাত্মকভাবে ক্ষতি ও হয়!
যেমন (1)মন দূর্বল হয়ে পড়ে (2)পাকস্থলী(3)যকৃত এবং(4)হৃৎপৃন্ড নষ্ট হয়(5)দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পায় (6)কানে শু শু আওয়াজ অনুভূত হয়(7)সর্দা মেজাজ খিটখিটে থাকে(8)সকালে ঘুম থেকে উঠলে শরীর কাহিল হয়ে পড়ে(9)শরীরের জুড়ায় জুড়ায় ব্যথা অনুভূত হয়, এবং চোখে ঝাঁপসা দেখে(১০) বীর্য পাতলা হয়ে যায় যার কারণে সর্বদা সামান্য সামান্য বীর্য নির্গত হতে থাকে। প্রস্রাবের নালীতে বীর্য জমে থাকে। যার ফলে দূরগন্ধের সৃষ্টি হয় ফলে প্রস্রাবের নালীতে ক্ষত হয়ে যায়। এবং ক্ষত স্থান থেকে রক্ত পুঁজ বের হয়। প্রথমে প্রথমে প্রস্রাবের সময় সামান্য সামান্য জ্বালা যন্ত্রণা করে(১১) পরবর্তী প্রস্রাব সাথে পুঁজ বের হয়(১২) অতঃপর প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালা যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়(১৩) এমনকি গলোরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন এমনি তিক্ত করে তোলে যার ফলে মানুষ মৃত্যু কে আহবান করতে থাকে(১৪) বীর্য পাতলা যাওয়ার কারণে কোন জল্পনা কল্পনা ব্যতীত প্রস্রাবের আগে বা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বের হতে থাকে একে প্রমেষ রোগ বলা হয় এবং নতুন নতুন কঠিন কঠিন রোগ বালাই সৃষ্টি হয় শরীরে(১৫) মেরুদন্ড দূর্বল হয়ে পরে (১৬) পুরুষ অঙ্গ আকারে ছোট আঁকা বাঁকা হয় ও আগা মোটা গুড়া চিকন বা গুড়া মোটা আগা চিকন বিকল দূর্বল হয়ে যায় যার কারণে বিয়ে করতে সাহস হয় না বা ভয় পায় (১৭) যার কারণে বিবাহের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে(১৮) যদিও বিয়ে করে স্ত্রী সাথে মিলন করার ক্ষেত্রে সফল হয়না আর হলেও বীর্য পাতলা হবার কারণে সন্তান সন্ততি জন্ম হয়না ফলে নিঃসন্তান থেকে যায়(১৯) কোমরে ব্যথা করে(২০) চেহেরা হলুদ বর্ণ ধারণ করে(২১) শরীর দিন দিন ক্ষীন যায় স্বাস্থ্যও ভেঙ্গে যায় (২২) টাইফয়ড রোগে আক্রান্ত হয় (২৩) মস্তিষ্ক বিকল হয়ে পরে (২৪) মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে(২৫) এমনকি পাগল হয়ে যাবার ও কারণ হয়ে দাড়ায়(২৬)
-সংবাদ মাধ্যমে জানা যায় যে, যখন এক হাজার টাইয়ফড উপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হল তখন দেখা গেল যে, তাদের মধ্যে ৪১৪ জন হস্ত মৈথুন, ১৮৬ জন অধিক অবৈধ যৌন মিলনের কারণে টাইয়ফড রোগে আক্রান্ত হয় এবং
-১২৪ জন পাগলের উপরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা যায় তাদের মধ্যে ২৪ জন অধিক হস্ত মৈথুন করার কারণে পাগল হয়েছিল।
( জান্নাতে দুইটি কুন্জি,পৃষ্ঠা ১৪১/১৪২)
নোট…হস্ত মৈথুন থেকে বাচাঁর উপায় ও হস্ত মৈথুনের কারণে পুরুষ অঙ্গের ক্ষতির চিকিৎসা কি ভাবে করবেন তা জানতে আমার আইডিতে দেখুন।

আমাদের সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার

আমাদের সমাজে প্রচলিত ২৪৪ টি কুসংস্কার! ❌
১) বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেললে সুন্দর দাত উঠে।
২) খাওয়ার সময় সালাম দেয়া-নেয়া যাবে না।
৩) কাউকে দেখে বলা- আপনার কথা হচ্ছিল আপনার হায়াত আছে।
৪) কোন বিশেষ পাখি দেখলে বা ডাকলে আত্মীয় আসবে মনে করা।
৫) বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় খালি কলস ,কালো বিড়াল, ঝাড়ু দেখলে যাত্রা অশুভ।
৬) খাওয়ার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে খানা কুকুরের পেটে চলে যায়।
৭) ঘর থেকে বের হয়ে পিছন দিকে ফিরে তাকানো বা ডাকা অশুভ ।
৮) খানার সময় হেচকি উঠলে কেউ স্মরণ করছে মনে করা।
৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়। ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।
১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।
১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।
১২) বাসর ঘরে স্ত্রী নিকট দেন মোহর মাপ চেয়ে নিলেই চলে, দিতে হয় না।
১৩) খালি মুখে মেহমান ফেরত গেলে অমংগল হয়। কাউকে শুধু পানি দেয়া উচিত না।
১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল/লবন দিতে হয়।
১৫) পরীক্ষা পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। খেলে পরীক্ষায় ডিম (শুন্য) পায়।
১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।
১৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
১৮) রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসলে জ্বর হবে।
১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না। রাতে গাছ থেকে ফল পাড়া উচিত না ।
২০) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।
২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
২৩) মহিলাদের বিশেষ দিন গুলোতে সবুজ কাপড় পড়তে হয়,তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।
২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হয়।
২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না।
২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।
২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।
২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।
২৯) চোখে গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু ছোয়ালে সুস্থ হয়ে যায়।
৩০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না।
৩১) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।
৩২) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।
৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।
৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।
৩৫) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।
৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।
৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
৩৮) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।
৩৯) বাচ্চাদের শরিরে লোহা বা তাবিজ থাকতে হবে।
৪০) রুমাল দিলে ঝগড়া হয়।ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি ধার দেয়া যাবে না।
৪১) হোঁচট খেলে মনে করা ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।
৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।
৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।
৪৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।
৪৫) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।
৪৭) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।
৪৮) রাতে কাক বা কুকুর ডাকলে বিপদ আসবে।
৪৯) শকুন ডাকলে, বিড়াল কাদলে মানুষ মারা যাবে। পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।
৫০) কাউকে ধর্মের ভাই-বোন, বাবা-মা ডাকলেই আপন হয়ে যায়, পর্দা লাগে না।
৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।
৫২) নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হবে।
৫৩) একবার মাথায় টাক খেলে দ্বিতীয় বার টাক দিতে হবে, নতুবা সিং উঠবে।
৫৪) খানা একবার নেওয়া যাবে না, দুই-তিন বার নিতে হবে।
৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।
৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।
৫৭) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান হয়, পেট বড় হয়।
৫৮) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।
৫৯) পিপড়া বা জল পোকা খেলে সাতার শিখবে।
৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে রান্না করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।
৬১) সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়– দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।
৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।
৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে বনি না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না।
৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে চুমা করতে হয়, দোকানের টাকার বাক্স সকালে চুমা করতে হয়। গাড়ি/রিক্সা সালাম করে চালান শুরু করতে হয়।
৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।
৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে দই বলতে হয়।
৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় তাহলে যাত্রা অশুভ হবে।
৬৮) ফসলের জমিতে মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যায়।
৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হয়।
৭২) মহিলারা হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
৭৩) স্ত্রী নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামী বাচে না।
৭৪) দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে। ছোট বাচ্চা ডিঙ্গিয়ে গেলে লম্বা হয় না।
৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হয়।
৭৬) লেন দেনের জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। এক লক্ষ হলে একলক্ষ-এক টাকা ধার্য করা।
৭৭) দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নাই।
৭৮) পুরুষ ছেলের রাগ দমন করার জন্য কান ছিদ্র করা।
৭৯) পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা উচিত না।
৮০) হজ্ব থেকে ফেরত আসলে ৪০ দিন ঘরে বসে থাকতে হয়।
৮১) আকিকার গোস্ত বাবা-মা খেতে পারবে না
৮২) সমাজের বেশি ভাগ মানুষ যা করে তাই সঠিক মনে করা।
৮৩) পীর না ধরলে মুক্তি পাওয়া যাবে না। যার পীর নাই তার পীর শয়তান মনে করা ।
৮৪) নতুন ঘর, ব্যবসা শুরু করতে মিলাদ দিতে হয়।
৮৫) খাতনা করলে, কলেমা পড়লেই মুসলান হয়, প্রতিদিন নামাজ লাগে না।
৮৬) শুক্রবার জুমার নামাজ পড়লেই চলে প্রতি দিন নামাজ লাগেনা।
৮৭) যুবক বয়সে নামাজ লাগে না, নামাজ বুড়াদের জন্য ।
৮৮) মৃত ব্যক্তির জন্য চল্লিশা, মৃত্যু বার্ষিকী না করলে মৃতের আত্বা কষ্ট পায়।
৮৯) মৃত ব্যাক্তির কবরে জিয়ারতের সময় মোমবাতি, আগরবাতি, ফুল দিতে হয়।
৯০) নামাজ পড়তে টুপি লাগে, বিয়ে করতে টুপি পরতে হয়।
৯১) বিয়ের পর মুরব্বিদের দাড়িয়ে সালাম করতে হয়, পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে হয়।
৯২) ঈদের রাতে, সবেবরাতের রাতে মৃত আপন জনের আত্বা ঘরে আসে।
৯৩) স্বামীর নাম , শশুরের নাম উচ্চারন করা যাবে না।
৯৪) মন ভাংগা ও মসজিদ ভাংগা সমান।
৯৫) তিন শুক্রবার জুমা না পড়লে স্ত্রী তালাক হয়ে যায়, মুসলমান থাকে না।
৯৬) হরলিকস খেলে বাচ্চারা ‘লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান’ হয়।
৯৭) মেয়ে সন্তান হয় স্ত্রীর দোষে।
৯৮) জন্মের পর বার বার সন্তান মারা গেলে অরুচিকর নাম রাখলে সন্তান বেঁচে যায়।
৯৯) বুড়া হলে হজ্ব করা উচিত, যুবক বয়সে হজ্ব “রাখা(!)” যায় না
১০০) একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে
১০১) একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফিরিশতা লাগে
১০২) চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলা কিছু কাটলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হয়
১০৩) ১৩ সংখ্যা অশুভ আর ৭ শুভ ।
১০৪) প্লেট চেটে খেলে কন্যা সন্তান হয়
১০৫) শবে বরাতের রাতের গোসল করলে গুনা মাফ হয়
১০৬) শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া হবে
১০৭) রোযাদারের খাবারের হিসাব হবে না
১০৮) তালিবুল ইলমের জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা ডানা বিছিয়ে দেন
১০৯) দোকান ঝাড়ু দেয়ার আগে ভিক্ষা দেয়া বা বেচা-কেনা করা যাবে না
১১০) কলা হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে খাওয়া সুন্নত
১১১) প্রজাপতিকে পানি পান করালে মৃত ব্যক্তিকে পান করানো হয়
১১২) মসজিদে লাল বাতি জ্বলা অবস্থায় নামায পড়া নিষেধ
১১৩) মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলা হারাম
১১৪) বিদ্যানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে মূল্যবান
১১৫) স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর জান্নাত।
১১৬) যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর কি চল্লিশ দিন নাপাক থাকে
১১৭) আগের উম্মত নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না
১১৮) আশুরার রোযা: ষাট বছর ইবাদতের সওয়াব
১১৯) আল্লাহকে পাইতে মাধ্যাম লাগে, পীর হইল মাধ্যম
১২০) মুহাররম মাসে বিবাহ করা অশুভ
১২১) ফিরিশতারা গুনাহ মাথায় নিয়ে মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন
১২২) কবরের চার কোণে চার কুল (অর্থাৎ সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) পাঠ করা
১২৩) কোন বস্তু/ ব্যক্তি কে লক্ষ্মী বা শুভ মনে করা
১২৪) ডানে শুভলক্ষণ বামে কুলক্ষণ নির্ধারনে পাখিকে ঢিল মারা
১২৫) মাগরীবের আযান দিলে দোকান পাট বা গাড়িতে ‘সন্ধ্যার বাতি’ জালানো
১২৬) রোজা- নামাজের নিয়ত (আরবীতে বা মাতৃভাষায়)মুখে উচ্চারন করা
১২৭) জিবরীলের চার প্রশ্ন … আপনি বড় না দ্বীন বড়?
১২৮) শয়তান ঈদের দিন রোজা রাখে
১২৯) দোকানে বরকতের জন্য সকালে গোলাপজল সন্ধ্যায় আগরবাতি জ্বালাতে হয়
১৩০) গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা হারাম
১৩১) খোদার পর বাবা-মা তারপর নবীজী
১৩২) মৃতের রূহ চল্লিশ দিন বাড়িতে আসা যাওয়া করে
১৩৩) আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।’
১৩৪) দোয়ার শেষে হাতে চুমু খেতে হয়
১৩৫) বদ নযর থেকে হেফাযতের জন্য শিশুর কপালে টিপ দিতে হয়।
১৩৬) মেয়ে সন্তান হলে আযান দিতে হয় না।
১৩৭) যাকাত শুধু রমযান মাসে আদায় করতে হয়
১৩৮) গায়রে মাহরামের সাথে কথা বললে অযু নষ্ট হয়ে যায়
১৩৯) ছেলের পিতা ও বন্ধুরা পাত্রী দেখবে ও যাচাই করবে
১৪০) টাখনুর উপর কাপড় শুধু নামাযের সময় উঠাতে হয়
১৪১) বাচ্চাদের বদনজর থেকে রক্ষার জন্য -,‘ষাট ষাট বালাই ষাট’ বলতে হয়।
১৪২) কিয়ামতের আলামত : বেগুন গাছ তলায় হাট বসবে।
১৪৩) নাম বদলালে আকীকা দিতে হয়।
১৪৪) কিয়ামতের দিন নবীজী তিন স্থানে বেহুশ হবেন(নাউযুবিল্লাহ)।
১৪৫) ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন শুধু মৃত্যু সংবাদ শুনে বলতে হয়।
১৪৬) হাঁটু খুলে গেলে অযু ভেঙ্গে যায়।
১৪৭) জুমার রাত কদরের রাত থেকেও উত্তম।
১৪৮) সুরমা তুর পর্বত এর তাজাল্লী থেকে সৃষ্টি।
১৪৯) কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা নিষেধ।
১৫০) মেরাজে নবীজীর সাতাশ বছর সময় লেগেছিল।
১৫১) তওবার জন্য অযু জরুরি।
১৫২) শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধুর পা ধোয়াতে হয়।
১৫৩) খাওয়ার পর প্লেট ধোয়া পানি পান করা সুন্নত।
১৫৪) আজানের জবাবে পুরুষ পাবে এক লক্ষ নেকী, মহিলা দুই লক্ষ নেকী।
১৫৫) হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণের দিন কাবা শরীফে আযান শুরু হয়।
১৫৬) দিনের প্রথম উপার্জন হাতে পাওয়ার পর তাতে চুমো দেয়া, গাড়ির স্টিয়ারিং, হাতল বা কোনো অংশে ছোঁয়ানোর পরে বুকে ও চোখে লাগানো।
১৫৭) মাদরাসা রাসূলের ঘর।
১৫৮) ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
১৫৯) কারো অকাল (অসময়ে) মৃত্যু হয়েছে মনে করা ।
১৬০) প্রবল ঝড়-বৃষ্টি বন্ধের জন্য আযান দেয়া।
১৬১) বৃষ্টির জন্য ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করতে হয়
১৬২) জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও- হাদিস মনে করা
১৬৩) মসজিদে নববীতে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায জরুরি মনে করা
১৬৪) বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়তে হয়, মৃতের লাশ নেয়ার সময় কলেমা পড়তে হয়।
১৬৫) বিশেষ দিনে/ শ্রদ্ধা জানাতে ছবি, মুর্তি বা কবরে ফুল দিতে হয়।
১৬৬) আল্লাহ্ তালার আঠারো হাজার মাখলুকাত
১৬৭) কাফের মারা গেলে ‘ফী নারি জাহান্নামা’ বলতে হয়
১৬৮) বিধবার অন্যত্র বিবাহ হলে সে পূর্বের স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়
১৬৯) আসরের সালাতের পর কিছু খাওয়া উচিত না
১৭০) ভাত পড়লে, তুলে না খেলে তা কবরে সাপ-বিচ্ছু হয়ে কামড়াবে
১৭১) কেউ হঠাৎ ভয় পেলে বুকে থুথু দিতে হয়।
১৭২) বাচ্চা বিছানায় পেশাপ করলে তাবিজ দিতে হয়।
১৭৩) শালি–দুলাভাই আপন ভাই বোনের মত, পর্দা লাগে না।
১৭৪) ভালো মানুষের নামাজ লাগে না।
১৭৫) পীর-দরবেশদের হিসাব আলাদা, তাদের সাধারন মানুষদের মত নামাজ- রোজা লাগেনা।
১৭৬) স্ত্রী স্বামীকে তালাক নিলে দেন মোহর দিতে হয় না।
১৭৭) গোসল করে ফল খেতে হয় না।
১৭৮) গর্ভবতী মহিলা সর্বদা লোহা, ম্যাচের কাঠি, রশুন সাথে রাখবে, নতুবা অমংগল হয়।
১৭৯) জবাইকৃত মুরগির পেটের ডিম, বাড়িতে তৈরি প্রথম পিঠা অবিবাহীত মেয়েরা খাবে না
১৮০) মৃতের বাড়িতে তিন দিন চুলা জ্বালাতে হয় না
১৮১) আযান শুনলে মেয়েরা মাথায় কাপড় দিবে, অন্য সময় না দিলেও চলে।
১৮২) বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহু দুর
১৮৩) দুধ ও আনারস এক সাথে খেলে বিষ হয়ে যায়
১৮৪) রত্ন-পাথর ব্যবহারে ভাগ্য পরিবর্তন হয়, নীলা সবার সহ্য হয় না, ভাগ্যে শনির প্রভাব পড়ে, হাতে ভাগ্য লিখা থাকে, পাথর ব্যবহার করা সুন্নত।
১৮৫) খাবার পর মিষ্টি খাওয়া সুন্নত।
১৮৬) দোয়া করতে হুজুর ডাকতে হয়, নিজে না করাই ভাল।
১৮৭) পীর-ফকির তাদের মুরিদদের হিসাব ছাড়া বেহেস্তে নিয়ে যাবে।
১৮৮) বিড়াল মারলে লবন ও গামছা সদগা দিতে হয়।
১৮৯) মাজারে সিন্নি দিতে হয়, মুরগি-খাসি দান করতে হয়।
১৯০) রাস্তার পাশে কবর-মাজার দেখলে ভক্তি সহকারে দূর থেকে চুমা করতে হয়।
১৯১) পীর বাবা সন্তান দিতে পারে
১৯২) গাছের ফল চুরি হলে গাছে আর ফল ধরে না।
১৯৩) রান্না করার জন্য হলুদ ধার দেয়া যাবে না।
১৯৪) জামা গায়ে থাকা অবস্থায় সেলাই করলে অসুখ হয়।
১৯৫) মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকলে অসুখ হয়।
১৯৬) অষ্ট ধাতুর আংটি, বালা ব্যবহার করলে বাত/বাতজ্বর/রক্ত চাপ ইত্যাদি অসুখ ভাল হয়।
১৯৭) পিতা-মাতা, সন্তান, নেতা-নেত্রী, পীরের ছবি ঘরে রাখলে বরকত হয়।
১৯৮) ফরজ গোসল না করলে ঘরের কাজ করা যায় না।
১৯৯) মেয়ে সন্তানদের সম্পদের হিস্যা দেয়া জরুরী না, বিনা হিসাবে কিছু একটা দিলেই চলে।
২০০) আল্লাহ তালা নবী কে সৃষ্টি না করলে কোন মানুষ সৃষ্টি করতেন না।
২০০) আল্লাহ তালা নবী কে সৃষ্টি না করলে কোন মানুষ সৃষ্টি করতেন না।
২০১) হরিন ও নবীর কাহিনী, বরই কাটা বিছানো বুড়ি ও নবীর কাহিনী সত্য মনে করা।
২০২) নবী নূরে তৈরি, মাটির নয়।
২০৩) মানুষ মারা গেলে আকাশের তারা হয়ে যায়।
২০৪) মানুষ মরে ভুত হয়।
২০৫) কুকুর কামড়ে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়।
২০৬) পেশাপ করে কুলুপ/টিসু ব্যবহা করতে হবে, শুধু পানি ব্যবহার চলবে না।
২০৭) পেশাপের পর কুলুপ ধরে চল্লিশ কদম না চললে নাপাকি যায় না।
২০৮) যাকাত হিসাব করা জরুরি না, বিনা হিসাবে দিলেও চলে।
২০৯) আপন বাপ জীবিত থাকলেও বিয়েতে অন্য মুরব্বিকে উকিল বাপ বানানো।
২১০) বিয়েতে গায়ে হলুদের আয়োজন করা।
২১১) সালাতে ইমামের ভুল হলে “সুবাহান্নাহ” না বলে “আল্লাহু আকবার” বলা।
২১২) ছোটরাই শুধু বড়দের সালাম দিবে, বড়রা দিবে না।
২১৩) পশ্চিম দিকে পা দিয়ে বসলে বা শুলে গুনা/বেয়াদবী হয় বা কবিরা গুনা হয়।
২১৪) মাজহাব মানা ফরজ।
২১৫) কদম বুসি বা পায়ে ধরে চুমা বা সালাম ইসলামী বিধান মনে করা।
২১৬) যৌতুক হালাল মনে করা।
২১৭) আবদুল কাদের জিলনী মায়ের পেটে ১৮ পাড়া কোরান মূখস্ত করেছেন।
২১৮) আইযুব নবীকে ১৮ বছর শরীরে পোকা কামড়িয়েছে।
২১৯) ইউসুফ নবী জুলেখার সাথে প্রেম করেছেন ও বিয়ে করেছেন।
২২০) নুহ নবীর নৌকায় মানুষ পায়খানা করেছে, এক বুড়ি সেখানে পড়ে বয়স কমেছে।
২২১) রাবেয়া বাসরী হজ্ব করছে মক্কা যেতে হয় নাই, কাবা তার সামনে হাজির হয়েছে।
২২২) গাউসে পাকের নাম জপিলে আল্লাহ পাওয়া যায়।(আসতাগফিরুল্লাহ)
২২৩) পীরের মুরিদ হলে নামাজ-রোজা লাগে না।ফানা ফিল্লাহ-এ পৌছে গেলে কিছু লাগে না।
২২৪) বড় পীর(!)আব্দুল কাদের জিলানী, মুসা নবীর ভুল ধরেছেন।
২২৫) পীর দেওয়ান বাগীর স্ত্রী হচ্ছেন নবীর মেয়ে ফাতেমা।
২২৬) পীরের তরিকায়-চোখের জলে অজু করি মনের কাবায় নামাজ পড়ি- সঠিক মনে করা
২২৭) পীরেরা কবরে জীবিত, তারা মুরিদদের বিপদে সাহায্য করে- বিশ্বাস করা।
২২৮) শরীর কেটে রক্ত পড়লে ওজু ভেঙ্গে যায়।
২২৯) বমি হলে অজু ভেঙ্গে যায়।
২৩০) ওজু থাকা অবস্থায় অজু করলে দশ গুন নেকী।
২৩১) মুসল্লির ওজুতে ক্রুটির কারনে ইমামের কেরাত ভুল হয়।
২৩২) মাথা নেড়া বা চুল খুব ছোট রাখা নেকির কাজ মনে করা।
২৩৩) মৃত স্বামীকে স্ত্রী বা স্ত্রীকে স্বামী দেখতে/ধরতে/গোসল দিতে পারবে না মনে করা।
২৩৪) মৃতের নখ, শরিরের বিভিন্ন স্থানের চুল পরিষ্কার করে দিতে হয়।
২৩৫) বিদ্যা অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও।
২৩৬) কারো মৃত্যুর পরে তার কাছের কারো বাচ্চা হলে মনে করা- মৃত ব্যাক্তি ফিরে এসেছে
২৩৭) বড় বিপদ থেকে ফিরে আসলে সোনা-রুপা ভেজান পানি দিয়ে গোসল করতে হয়।
২৩৮) মোমিন ব্যাক্তির অন্তর আল্লাহর আরস
২৩৯) প্রেম-ভালোবাসায় কোন পাপ নেই।
২৪০) সকালে গাড়ী চালানো শুরুর পূর্বে ড্রাইভারকে গাড়ীর স্টেয়ারিং হুইলে চুমা করতে হয়।
২৪১) পীরের নাম মনে করে গাড়ী চালালে বিপদ হয় না।
২৪২) হাশরের দিন পীরগন মুরিদের জন্য সাফায়াত করবে।
২৪৩) প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে একবার চিল্লা দিতে হয়।
২৪৪) পীর-আউলিয়াগন মারেফত জানে।
* কুসংস্কার মানা, অপরকে মানতে বলা, মুরব্বিরা করেছেন তাই মানা – শির্ক
* কেউ যদি কোন আমল করে যার অদেশ নবী (সা:) করেননি, তা বাতিল- সহিহ মুসলিম ২য় খন্ড পৃ-৭৭
পোস্ট:- মোহাম্মদ আবু হানিফ দুবাই
আমাদের সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার।
*********************************
১) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।
২) নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হবে।
৩) দোকানের প্রথম কাস্টমর ফেরত দিতে নাই।
৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।
৫) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।
৬) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।
৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
৮) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।
৯) চোখে কোন গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগাইলে সুস্থ হয়ে যাবে।
১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।
১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।
১২) ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।
১৩) ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।
১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল দিতে হবে।
১৫) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, “ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।”
১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।
১৭) বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।
১৮) ঘরের ভিতরে প্রবেশ কৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। (অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে) তাহলে জ্বর হবে।
১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।
২০) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।
২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
২৩) মহিলাদের মাসিক অবস্থায় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।
২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।
২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহারা নষ্ট হয়ে যাবে।
২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।
২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।
২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।
২৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।
৩০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না।
৩১) খানার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে বলা হয় খানা না কি কুকুরের পেটে চলে যায়।
৩২) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।
৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।
৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।
৩৫) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।
৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।
৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
৩৮) কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বাহির হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন সে যাত্রা বন্ধ করে দেয়, বলে আমার যাত্রা আজ শুভ হবে না।
৩৯) ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।
৪০) রুমাল, ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।
৪১) হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।
৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।
৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।
৪৪) পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম (আত্মীয়)আসবে।
৪৫) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।
৪৭) খানার সময় যদি কারো ঢেকুর আসে বা মাথার তালুতে উঠে যায়, তখন একজন আরেকজনকে বলে, দোস্ত তোকে যেন কেউ স্মরণ করছে বা বলা হয় তোকে গালি দিচ্ছে।
৪৮) কাক ডাকলে বিপদ আসবে।
৪৯) শুঁকুন ডাকলে মানুষ মারা যাবে।
৫০) পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।
৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।
৫২) দুজনে ঘরে বসে কোথাও কথা বলতে লাগলে হঠাৎ টিকটিকির আওয়াজ শুনা যায়, তখন একজন অন্যজনকে বলে উঠে “দোস্ত তোর কথা সত্য, কারণ দেখছস না, টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে।”
৫৩) একজন অন্য জনের মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দিতে হবে, একবার টোকা খাওয়া যাবে না। নতুবা মাথায় ব্যথা হবে/শিং উঠবে।
৫৪) ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।
৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।
৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।
৫৭) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে।
৫৮) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।
৫৯) পিপড়া বা জল পোকা খেলে সাতার শিখবে।
৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে তা পাক করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।
৬১) সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়– দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।
৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।
৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে যাত্রা (নগদ বিক্রি) না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না। তাহলে সারা দিন বাকীই যাবে।
৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা, মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সালাম করতে হবে, না হলে লক্ষ্মী চলে যাবে।
৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।
৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে ধই বলতে হয়।
৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় তাহলে যাত্রা অশুভ হবে।
৬৮) কোন ফসলের জমিতে বা ফল গাছে যাতে নযর না লাগে সে জন্য মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর (!!) আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যাবে।
৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হবে, কেননা বলা হয় কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।
৭২) মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হবে।
৭৩) স্ত্রীগণ তাদের নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামীর বেঁচে না থাকার প্রমাণ।
৭৪) দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে।
৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হবে।
৭৬) বেচা কেনার সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেন মোহর (কাবীন) এর সময় করে থাকে, একলক্ষ এক টাকা ধার্য করা হয়।
৭৭) বন্ধু মহলে কয়েকজন বসে গল্প-গুজব করছে, তখন তাদের মধ্যে অনুপস্থিত কাউকে নিয়ে কথা চলছে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে, কেউ কেউ বলে উঠে “দোস্ত তোর হায়াত আছে।” কারণ একটু আগেই তোর কথা বলছিলাম।
৭৮) হঠাৎ বাম চোখ কাঁপলে দুখ: আসে।
৭৯) বাড়ী থেকে কোথাও জাওয়ার উদ্দেশে বেড় হলে সে সময় বাড়ির কেউ পেছন থেকে ডাকলে অমঙল হয়।
৮০) স্বামীর নাম বলা জাবে না এতে অমঙল হয়।
৮১) বাছুর এর গলায় জুতার টুকরা ঝুলালে কারো কু দৃষ্টি থেকে বাচা যায়।
পোস্ট:- মোহাম্মদ আবু হানিফ দুবাই

নামাজ ছাড়া দিন শুরু করা না-করার পরিণতি

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

নামাজ মানুষকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে, রিজিকের ফয়সাল দান করে। কুরআনের আয়াত দ্বারা তা প্রমাণিত। তারপরও এমন অনেক মুসলিম রয়েছে যারা নামাজ দ্বারা দিন শুরু করে না। অথচ নামাজ দ্বারা দিনের কাজ শুরু করায় রয়েছে অনেক বড় মর্যাদার ঘোষণা।

ভালো কাজ দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করায় রয়েছে কল্যাণ। হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভোরে নামাজ দিয়ে দিন শুরু করা ব্যক্তির প্রশংসা ও মর্যাদা ঘোষণা করেন বলেন- হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ভোরে ফজরের নামাজের দিকে গেল, সে ঈমানের পতাকা বহন করলো। আর যে ভোরে (নামাজ না পড়ে) বাজারের (অন্য কাজের) দিকে গেল, সে ইবলিসের (শয়তানের) ঝাণ্ডা বহন করে নিলো।’ (ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

এ হাদিসের ব্যাখ্যায় আল্লামা তিবি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, এ হাদিসের মাধ্যমে দু’টি দলের সুস্পষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়।

তাদের প্রথম দলটি হলো- ‘হিজবুল্লাহ’ বা আল্লাহর দল। যারা ভোরে নামাজ দিয়ে দিনটি শুরু করে।

আর দ্বিতীয় দলটি হলো- ‘হিজবুশ শায়তান’ বা শয়তানের দল। যারা দিনের শুরুতে নামাজ বাদ দিয়ে দুনিয়াবি অন্যান্য কাজের মাধ্যমে নিজেদের ব্যস্ত করে তোলে।

সুতরাং ভোর বেলা ঘুম থেকে ওঠে অন্য কোনো কাজ নয়, পাক-পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করাই ঈমানের একান্ত দাবি। কেননা ভোরের নামাজ আদায়কারী ব্যক্তির নামাজ আদায় কিংবা নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে গমন ঈমানের পতাকা ওড়ানোর শামিল। আর তারাই আল্লাহর দল হিসেবে পরিচিত।

আর যারা এর বিপরীত কাজে নিজেদের দিন শুরু করে তারা শয়তানের দলে পরিণত হয় এবং নিজেদের দ্বীনকে পর্যদুস্তকারী হিসেবে পরিচিতি পায়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নিয়মিত ভোরবেলা নামাজের মাধ্যমে তাদের দিন শুরু করার তাওফিক দান করুন। শয়তানের সঙ্গী হওয়ার অপবাদমুক্ত হয়ে আল্লাহর সঙ্গী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নামাজ পড়তে ভুলে গেলে বা ঘুমিয়ে পড়লে করনীয়

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ঈমানের পর নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ৫ বার নামাজ আদায় করা ফরজ। আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ যথা সময়ে আদায় করাকে ফরজ করেছেন। কেউ যদি নামাজ পড়তে ভুলে যায় বা ঘুমিয়ে পড়ে, তবে তার করণীয় কী? এ প্রসঙ্গে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।

কেননা ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ পরিত্যাগ করা কুফরি। প্রিয়নবীর ঘোষণায় ইসলাম এবং কুফরের মধ্যে পার্থক্যকারী হলো নামাজ। তাই ইচ্ছা করে নয়, বরং ভুলে বা ঘুমিয়ে পড়ার কারণে যদি নামাজ পড়া না হয় তবে করণীয় সম্পর্কে প্রিয়নবী বলেন-

* হজরত আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে ভুলে গেলে যখনই তা (নামাজের কথা) স্মরণ হবে, আদায় করে নেবে।’

* হজরত আলি ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, কোনো ব্যক্তি সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে সালাতের ওয়াক্ত হোক বা না হোক, যে সময়ই তার মনে পড়বে, সে সময়ই সালাত আদায় করে নেবে।’

* হজরত আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, লোকেরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে সালাত ভুলে ঘুমিয়ে পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, ঘুমের বেলায় (নামাজ না পড়ায়) কোনো গোনাহ নেই, গোনাহ হলো জাগ্রত থাকার সময়। তোমাদের কেউ যদি সালাত আদায় করতে ভুলে যায় বা ঘুমিয়ে পড়ে তবে যে সময়ই মনে পড়বে বা জাগ্রত হবে, তখনই আদায় করে নেবে।’

উল্লেখ্য যে, কোনো ব্যক্তি যদি নামাজের সময় ভুলে নামাজ না আদায় করে বা ঘুমিয়ে যায়। আর যখনই মনে হয় বা ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন যদি সূর্য ওঠার বা ডোবার সময় হয়। তবে করণীয় কী?

এ প্রসঙ্গে দু’টি মত পাওয়া যায়- * ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমদ, ইমাম মালেক ও ইসহাক, ‘সূর্য ওঠার এবং ডোবার সময় মনে হলে বা ঘুম থেকে ওঠলে, সে সময়ই নামাজ আদায় করবে।’

* অপর একদল আলেম বলেন, ‘সূর্য ওঠা বা ডোবা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সে সালাত পড়বে না।’ ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহিও এ মতের কথা ব্যক্ত করেছেন।

হজরত আবু বাকারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তিনি একদিন আসরের নামাজের আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। শেষে ঠিক সূর্য ডোবার সময় তিনি জেগে ওঠেন। কিন্তু সূর্য পূর্ণভাবে না ডোবা পর্যন্ত নামাজ আদায় করলেন না।’ কুফাবাসী আলেমগণও এ মতটি গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু ইমাম তিরমিজি রহমাতুল্লাহ আলাইহি হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতটি গ্রহণ করেছেন। ইমাম তিরমিজি রহমাতুল্লাহি আলাইহি উল্লেখিত হাদিসগুলো তাঁর নিজ গ্রন্থ জামে আত-তিরমিজিতে উল্লেখ করেছেন।

নামাজ পড়তে ভুলে গেলে বা ঘুমিয়ে যাওয়ার কারণে যথা সময়ে নামাজ পড়তে না পারলে স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা ঘুমে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ আদায় করে নেয়া।

মধ্যমপন্থা অবলম্বন আল্লাহর পছন্দনীয়

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

মধ্যমপন্থা অবলন্বনকারী ব্যক্তি বলতে ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপনকারীদেরকে বোঝায়। একজন মুসলিমের সৌন্দর্যই হলো তার ভ্রাতৃত্ববোধ, সহনশীলতা ও উদারতা। মধ্যমপন্থা অবলন্বনকারী ব্যক্তিরা সব কিছুতে ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। মধ্যমপন্থা অবলম্বনের মধ্যে আল্লাহর অনুগ্রহ ও কল্যাণ রয়েছে।

আমাদের রাসূল সা: সব পরিবেশ পরিস্থিতি সবরের সাথে মোকাবেলা করতেন। যার ফলে হজরত রাসূল সা:-এর জমানায় মুসলমানেরা সব ক্ষেত্রে সাফল্যে লাভ করত। উগ্রতা, হিংস্রতা, অহঙ্কার ও ক্রোধ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

মধ্যমপন্থা হলো ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সাফল্যে লাভের একমাত্র চাবিকাঠি। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘এভাবেই আমি তোমাদের এক মধ্যমপন্থী মানব দলে পরিণত করেছি, যেন তোমরা দুনিয়ার অন্য মানুষদের ওপর সাক্ষী হয়ে থাকতে পারো’ (সূরা বাকারা : ১৪৩)।

বিশ্বজুড়ে মুসলমান উত্তম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, আথিতেয়তা ও উদারতার জন্য প্রশংসিত। মুসলমানেরা মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী সহনশীল জাতি। মুসলমানদের কাছে পৃথিবীর সব জাতিগোষ্ঠীর লোকজন নিরাপদ। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল সা: এরশাদ করেছেন, ‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা এবং হাত থেকে সব মুসলমান নিরাপদ থাকে’ (বোখারি : ০৯)।

উগ্রপন্থা কিংবা চরমপন্থা হলো শয়তানের পথ। আমাদের নিজেদের ধ্বংসের হাত থেতে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই সবাইকে চরমপন্থা পরিহার করে চলতে হবে। শয়তান সবসময় মানুষকে মন্দ কাজের প্রতি উৎসাহিত করে। শয়তানের অনুসারী ব্যক্তি-গোষ্ঠীরা মানুষের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লাগানোর জন্য সর্বদা চেষ্টা করে। তাই মানুষরূপী শয়তান সম্পর্কে মুমিনদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শক্র’ (সূরা বাকারা : ২০৮)।

বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে। প্রভাবশালীরা নীতি নৈতিকতা ভালোমন্দের বিচার বিশ্লেষণ করছে না। দুর্বলের ওপর সবলের দখল নির্যাতন হামলা মামলা অত্যাচার শোষণ জুলুম কোথাও থেমে নেই। মুসলমানের ঈমান আকিদা ঐতিহ্য ধ্বংস করতে মানুষরূপী শয়তান সদা সর্বদা তৎপর রয়েছে। আজ শয়তানের কুমন্ত্রণায় পড়ে কিছু সংখ্যক মুসলমান যুবক উগ্রবাদ তথা জঙ্গিবাদের সাথে জড়িয়ে পড়ছে, যা মুসলমানের জন্য আশঙ্কার বিষয়।

কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে। আর যারা এরূপ করে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত’ (সূরা মুনাফিকুন : ০৯)।

দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে সবাইকে মাত্রাতিরিক্ত ভোগবিলাস, হিংসা ও নিন্দা পরিহার করে চলতে হবে। আমাদের সবাইকে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে হবে। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! কোনো সম্প্রদায় যেন অপর কোনো সম্প্রদায়কে বিদ্রুপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রুপকারীদের চেয়ে উত্তম। আর কোনো নারীও যেন অন্য নারীকে বিদ্রুপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রুপকারীদের চেয়ে উত্তম’ (সূরা হুজরাত : ১১)।

আজকাল পৃথিবীর সর্বত্রই দুর্বলেরা নির্যাতিত হচ্ছে। বর্তমান সময়ের সব পরিবেশ পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুর্বল নির্যাতিত ব্যক্তি-গোষ্ঠীকে অবশ্যই মধ্যমপন্থার অনুসরণ করতে হবে। তা হলে নির্যাতিত দুর্বল ব্যক্তিদের বিজয় আসবে। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না, যদি মুমিন হয়ে থাকো তবে বিজয় তোমাদের হবেই’ (সূরা ইমরান : ১৩৯)।

[হাদিস ও কুরআনের আলো পর্ব – (৩)] এসো হাদিস ও কুরআনের আয়াত পড়ি ও শিখি এবং তদানুযায়ী আমল করি।

” বিসমিল্লাহির রহমানার রহিম ”
“আসসালামু আলাইকুম”

আমি আজ ও বলছি কোন কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে হয় এবং সকলের সামনে কোন কিছু বলার আগে সালাম দিতে হয় এবং তার পর বলতে হয়।

** আজকের আমার পোষ্টে আপনাদের সকলকে স্বাগতম জানাচ্ছি ,,,,,,,

** আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। আমি আলহামদুলিল্লা ভালো আছি আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে।

** মুসলমান ভাইয়েরা দয়া করে পোষ্ট টি পড়ুন।

আজকের বিষয় ,,

#আজকে আমি আপনাদের সামনে হাদিস ও কুরআনের আলো পর্ব – (৩) নিয়ে হাজির হয়েছি। গত পর্ব – (১) এবং (২) এ আমরা পাঁচটি পাঁচটি করে মোট দশটি হাদিস শিখেছি। তা অনুযায়ী আপনারা আমল করবেন কিন্তু ? অবশ্যই করবেন
এতে করে দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি লাভ করা যাবে।

** আজকে আমরা নতুন পাঁচটি হাদিস পড়ে শিখবো এবং তদানুযায়ী আমল করার অবশ্যই চেষ্টা করবো।

হাদিস গুলো নিচে দেওয়া হলো —
১১.

১২.

১৩.

১৫.

** বন্ধুরা শুধু শুধু হাদিস পড়ে লাভ হবে না যদি তা আমল করা না হয়। তাই আপনারা প্লিজ বাস্তব জীবনে ভালো কিছু যা শিখবেন তা আমল করবেন।

** আজকে এই পর্যন্ত আগামীতে পর্ব (৪) এ আমরা আরো নতুন কিছু হাদিস শিখবো।
** মুসলমান ভাইয়েরা সবাই তোমরা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো কি? আমি চেষ্টা করি। না করলে আজ থেকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার শুরু করে দিন। দুনিয়া ও আখিরাতে পরিপূর্ন শান্তি লাভের জন্য সৎকর্ম এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে। যা ফরজ ইবাদত অর্থাৎ অবশ্যই পালন করতে হবে।
* ১ টি সিজদাহ্ দেওয়ার জন্য পরকাল থেকে মানুষ দুনিয়াতে আসতে চাইবে। *তাহলে ভেবে দেখেন আপনারা। *সবাই প্লিজ নিজের ভালোর জন্য আজ থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করে দিন।
** পোষ্ট টি পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ,,,,,

**আল্লাহ হাফেজ**

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান: পর্ব-২ (বিষয়: আল কুরআন)

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান: (বিষয়: পবিত্র কুরআন) সংকলন ও গ্রন্থনা: মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) ১০০) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনুল কারীমে কতটি সূরা আছে? উত্তরঃ ১১৪টি। ১০১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরার নাম কি? উত্তরঃ সূরা ফাতিহা। ১০২) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরার নাম কি? উত্তরঃ সূরা বাকারা। ১০৩) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে ছোট […]