প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞানঃ পর্ব-১ (ঈমান ও আক্বীদা)

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান (১-৯৯) সংকলন ও গ্রন্থনা: মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) ধারাবাহিক-১ ঈমান ও আক্বীদা ১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি? উত্তরঃ আল্লাহ্‌। ২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে? উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত। ৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন? উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে। (সূরা ত্বহাঃ ৫) ৪. প্রশ্নঃ […]

পরিবারে দাওয়াহ : কিছু কৌশল

এই নোটের পাঠকদের মধ্যে বিভিন্ন মানহাজের ভাইবোনেরা আছেন। আসলে আমরা কেউই কিন্তু এই আদর্শিক প্রান্তিকতা থেকে মুক্ত নই। ভালো লাগার দিক থেকে কেউ তাবলীগী, তাসাউউফপন্থী, সালাফী, রেজভী, জামাআতে ইসলামপন্থী, কোন না কোন আদর্শঘেঁষা আমরা সবাই। সবার আদর্শের দালিলিক অংশটুকুর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শুরু করছি। নোটের প্রথমে কিছুটা তবলীগের কথা আছে। বিরক্তি ওভারকাম করে শেষ পর্যন্ত […]

অযু চলে যাওয়ার সন্দেহ হলে…

জিজ্ঞাসা–৬১৫: আসসালামু আলাইকুম। হুযুর,আমি অনেকসময় ওযু আছে কি নাই তা বুঝতে পারি না। অনেক সময় নামাজ বা কুরআন পড়ার সময়ও হয়তো অযু চলে যায়। আমি পরে বুঝতে পেরে অযু করে নিই। এখন আমার প্রশ্ন হলো সেই নামাজ টা কি আবার পড়তে হবে? আর কুরআন পড়ার সময় কী করনীয়?–নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

জবাব: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

আপনি আপনার যে সসমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন; এটা নিঃসন্দেহে ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহ। এজন্য আপনার জন্য উপদেশ হচ্ছে- আপনি নামাযে কিংবা নামাযের বাহিরে কোরআন তেলাওয়াতের সময় সন্দেহকে মোটেই ভ্রুক্ষেপ করবেন না।

মনে রাখবেন, যদি আপনি শয়তানসৃষ্ট সন্দেহের এ বাতিককে উপেক্ষা করতে পারেন তাহলে আপনি সেটাই করেছেন, যা করার জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে অভিযোগ করলেন যে, তার কাছে মনে হয় যে, সে নামাযের মধ্যে কিছু একটা পাচ্ছে। তখন তিনি বললেন, لاَ يَنْصَرِفُ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا ، أَوْ يَجِدَ رِيحًا সে যেন শব্দ শুনা কিংবা গন্ধ পাওয়া ছাড়া নামায না ছাড়ে। (সহিহ বুখারী ১৩৭ সহিহ মুসলিম ৩৬১)

এ কথার দ্বারা উদ্দেশ্য হল- অযু ভাঙ্গার ব্যাপারে পরিপূর্ণ নিশ্চিত হওয়া ছাড়া আপনি এটাই মনে করবেন যে, আপনার অযু ভাঙ্গে নি। যেহেতু অযু ভাঙ্গে নি সুতরাং ওই নামায আবার পড়তে হবে না। আর যদি আপনি পরিপূর্ণ নিশ্চিত হন যে, আপনার অযু ভেঙ্গে গিয়েছিল তাহলে যে নামায আপনি অযু ছাড়া পড়েছেন তা পুনরায় পড়ে নিতে হবে।

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন-–জিজ্ঞাসা নং– ৫২৩।

والله اعلم بالصواب

উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী

The post অযু চলে যাওয়ার সন্দেহ হলে… appeared first on কোরআনের জ্যোতি.

নাপাকি লেগে গেলে করণীয়

জিজ্ঞাসা–৬১৪: আসসালামুয়ালাইকুম। অন্য কোনো সাথী ভাইয়র যদি স্বপ্ন দোষ হয় এবং তা যদি চাদরে বা কাপড়ে লাগে, ওই নাপাক জায়গা হালকা ভেজা থাকা অবস্থায় যদি আমার হাত লাগে। তাহলে আমাকেও ফরয গোসল করতে হবে কিনা? –Nazmul khan

জবাব: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

আপনার উপর গোসল ফরয হয় নি; বরং যার স্বপ্নদোষ হয়েছে তার উপর গোসল ফরয হয়েছে। (সহীহ বুখারী ১/৪২) সুতরাং আপনাকে ফরয গোসল করতে হবেনা। তবে যদি নিশ্চিত হন, আপনার হাতে নাপাকি লেগেছে, তাহলে যতটুকুতে লেগেছে, ততটুকু ধুয়ে ফেলতে হবে। (রদ্দুল মুহতার ১/৩৩৩)

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
The post নাপাকি লেগে গেলে করণীয় appeared first on কোরআনের জ্যোতি.

বিতির নামায সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তির জবাব

জিজ্ঞাসা–৬১৩: আসসালামু আলাইকুম। আমি কয়েক দিন আগে আমার এলাকার একজন সালাফি আলেমের সাথে কিছু সময় কথা বললাম। আলোচনার এক পর্যায়ে উনি আমাকে বললেন, বিতির নামায এক রাকাত অবশ্যই পড়া যাবে, এ ব্যাপারে সহীহ বুখারীতে স্পষ্ট হাদিস আছে। কিন্তু আমরা হানাফিরা ফিক্বহের অজুহাত দেখিয়ে এক রাকাত পড়ি না। তারপর তিনি বললেন, আমরা হানাফিরা বিতিরের ৩য় রাকাতে দোআ কুনুত পাঠ করার পূর্বে পুনরায় তাকবীর অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলে যে পুনরায় হাত বাঁধি এটা কুরআন -, হাদিসের কোথাও নেই, এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং নব্য আবিষ্কৃত। আমার প্রশ্ন হচ্ছেঃ ১.বিতিরের নামায কি এক রাকাত পড়া যাবে ? ২. বিতিরের তৃতীয় রাকাতে আমরা দোআ কুনুতের পূর্বে যে তাকবীর বলে হাত উত্তোলন করে পুনরায় হাত বাঁধি এটার দলিল কি? আশা করি, কুরআন-হাদিসের আলোকে উল্লেখিত দুইটা প্রশ্নের উত্তর দিবেন। জাযাকুমুল্লাহ খয়রান। –Farhan

জবাব: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

এক. সম্মানিত দীনি ভাই, শরীয়তে এমন কোনো নামায নেই, যা শুধু এক রাকাত পড়া যায় কিংবা মাঝে তাশাহহুদ ছাড়া দু’রাকাতের অধিক আদায় করা যায়; বরং শরীয়তে সকল নামাযের মূলকথা এই যে, প্রতি দুই রাকাতে বৈঠক হবে এবং তাশাহহুদ পড়া হবে। হযরত আয়েশা রাযি. থেকে সহীহ মুসলিম (১/১৯৪, হাদীস ৪৯৮)-এ একটি দীর্ঘ হাদীসে রাসূলুল্লাহﷺ-এর এক ব্যাপক বাণী উদ্ধৃত রয়েছে। তাতে তিনি ইরশাদ করেন- فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ التَّحِيَّةَ ‘প্রতি দুই রাকাতে তাশাহহুদ রয়েছে।’ একই হুকুম একাধিক সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত রয়েছে। যেমন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. বলেন, لَيْسَ مِنْ صَلَاةٍ إلَّا وَفِيهَا قِرَاءَةٌ وَجُلُوسٌ فِي الرَّكْعَتَيْنِ সকল নামাযে কিরাত আছে। আর আছে দু’ রাকাতে বসা। (মুসান্নাফ, ইবনে আবী শায়বা ৮৫৭৭)

শরীয়তের এ মৌলিক শিক্ষা পরিহার করে কোন রেওয়ায়াতের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে যদি কোনো ব্যক্তি একথা বলে যে, বিতির নামায এক রাকাত কিংবা তিন রাকাত বিতির পড়লে শুধু এক বৈঠকেই পড়তে হবে- তাহলে এতে কোন সন্দেহ নেই যে, এমন ব্যক্তি সালাফের অনুসারী আলেম হতে পারে না। বরং তার এজাতীয় বক্তব্য দীনের মধ্যে নব আবিষ্কৃত বেদআত বৈ কিছু নয়।

দুই. মুতাওয়াতির হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, বিতির এক রাকাত নয়; তিন রাকাত। যেসব বর্ণনায় তিন রাকাতের অধিক, যথা পাঁচ, সাত বা নয় রাকাত পড়ার কথা বলা হয়েছে সেখানেও মূল বিতর তিন রাকাত। বর্ণনাকারী পূর্বের বা পরের রাকাতসমূহ মিলিয়ে সমষ্টিকে ‘বিতির’ বলে বর্ণনা করেছেন। নিম্নে কিছু প্রমাণ পেশ করা হল-

১. আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাযি. কে জিজ্ঞাসা করেন, রমযানুল মুবারকে নবী ﷺ -এর নামায কীরূপ হত? উম্মুল মুমিনীন বলেন,

مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ وَلاَ فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي أَرْبَعًا، فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا، فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي ثَلاَثًا

নবী ﷺ রমযানে ও রমযানের বাইরে এগারো রাকাতের বেশি পড়তেন না। প্রথমে চার রাকাত পড়তেন-এত সুন্দর ও দীর্ঘ সে নামায, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। অতঃপর চার রাকাত পড়তেন-এরও দীর্ঘতা ও সৌন্দর্য সম্পর্কে জানতে চেয়ো না। এরপর তিন রাকাত পড়তেন। (বুখারী ১১৪৭ মুসলিম ৭৩৮ নাসায়ী ১৬০৭ আবু দাউদ ১৩৪১ তিরমিযী ৪৩৯ মুসনাদে আহমদ ৬/৩৬, ৩৯, ৭৩, ১০৪)

২. আয়েশা রাযি. বলেন,

كَانَ النَّبِيُّ ﷺ لَا يُسَلِّمُ فِي رَكْعَتَيْ الْوِتْرِ

নবী ﷺ বিতরের দুই রাকাতে সালাম ফেরাতেন না। ( নাসায়ী ১৬৯৮; মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৫১ (বাবুস সালাম ফিল বিতর) মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ৬৯১২ সুনানে দারাকুতনী ১৫৬৫ সুনানে কুবরা বাইহাকী ৩/৩১)

এই হাদীসটি ইমাম হাকেম আবু আব্দুল্লাহ রহ.ও ‘মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন’ কিতাবে বর্ণনা করেছেন। তার আরবী পাঠ এই-

كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا يُسَلِّمُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ مِنْ الْوِتْرِ

অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ ﷺ বিতরের প্রথম দুই রাকাতে সালাম ফেরাতেন না।

ইমাম হাকেম রহ. তা বর্ণনা করার পর বলেন- هذا حديث صحيح على شرط الشيخين অর্থাৎ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্ত মোতাবেক সহীহ। ইমাম শামসুদ্দীন যাহাবী রহ. ‘তালখীসুল মুস্তাদরাক’-এ হাকেম রহ.-এর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। (মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন ১/৩০৪, হাদীস ১১৮০)

৩. আব্দুল্লাহ ইবনে আবী কাইস বলেন, আমি হযরত আয়েশা রাযি.-এর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম যে, নবীজী ﷺ বিতরে কত রাকাত পড়তেন? উত্তরে তিনি বলেন,

كَانَ يُوتِرُ بِأَرْبَعٍ وَثَلَاثٍ وَسِتٍّ وَثَلَاثٍ وَثَمَانٍ وَثَلَاثٍ وَعَشْرَةٍ وَثَلَاثٍ وَلَمْ يَكُنْ يُوتِرُ بِأَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَلَا أَنْقَصَ مِنْ سَبْعٍ

অর্থাৎ চার এবং তিন, ছয় এবং তিন, আট এবং তিন, দশ এবং তিন। তিনি বিতরে তের রাকাতের অধিক এবং সাত রাকাতের কম পড়তেন না। ( আবু দাউদ ১১৯০ তহাবী ১০৬৬ মুসনাদে আহমদ ২৬৬১০ আসসুনানুল কাবীর লিল বাইহাকী ৪৪৭১ মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহয়াইহ ১৪৮৫)

লক্ষণীয় বিষয় হল, রাসূলুল্লাহ ﷺ তাহাজ্জুদ নামায কখনো চার রাকাত, কখনো ছয় রাকাত, কখনো আট রাকাত, কখনো দশ রাকাত পড়তেন; কিন্তু মূল বিতর সর্বদা তিন রাকাতই হত।

তিন. দোয়ায়ে কুনূত রুকুর আগে,না পরে? এ বিষয়ে মতভেদ আছে। হানাফী মাযহবের আলিমগণ বলেন, রুকুর আগে পড়া হবে। এর দলিল হল, সহীহ বুখারী (১/১৩৬) ‘বাবুল কুনূত কাবলার রুকু ওয়া বা’দাহ’ শীর্ষক পরিচ্ছেদে আছে, আসিম আহওয়াল বলেন,

سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، عَنِ الْقُنُوتِ؟ فَقَالَ: قَدْ كَانَ الْقُنُوتُ، قُلْتُ: قَبْلَ الرُّكُوعِ أَوْ بَعْدَهُ؟ قَالَ: قَبْلَهُ، قُلْتُ: فَإِنَّ فُلَانًا أَخْبَرَنِي عَنْكَ، أَنَّكَ قُلْتَ: بَعْدَ الرُّكُوعِ، فَقَالَ: كَذَبَ، إِنَّمَا قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ – ﷺ– بَعْدَ الرُّكُوعِ شَهْرًا،.

আমি আনাস ইবনে মালিক রাযি.কে কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, কুনূত আছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, রুকুর আগে, না পরে? তিনি বললেন, রুকুর আগে। আমি বললাম, জনৈক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন যে, আপনি রুকুর পরে কুনূত পড়ার কথা বলেছেন? তিনি বললেন, সে ভুল বলেছে। রুকুর পরে তো নবী ﷺ শুধু এক মাস কুনূত পড়েছেন।

এছাড়াও আরো দলিল আছে। তবে রুকুর পরে কুনূতের কথাও হদীসে আছে। হানাফী আলিমগণ উভয় বর্ণনার মাঝে সমন্বয় এভাবে করেন যে, কুনূতে নাযেলা রুকুর পরে ও বিশেষ বিশেষ অবস্থায় পড়া হবে। আর বিতিরের কুনূত রুকুর আগে ও সব সময় পড়া হবে। কেননা, আনাস রাযি. থেকেই অন্য বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ মৃত্যু পর্যন্ত কুনূত পড়েছেন। (বাযযার-মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১৩৯) এই বর্ণনায় বিতরের কুনূতই উদ্দেশ্য। কারণ ফজরের কুনূত সর্বদা পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায় না।

চার. যারা উপরোক্ত হাদীসসমূহের ভিত্তিতে রুকুর আগে কুনূত পড়ার কথা বলেন তাদের নিকট কিরাত ও কুনূতের মাঝে তাকবীর দেওয়া সুন্নত। এই তাকবীরের সাথে রাফয়ে ইয়াদাইন (হাত উত্তোলন) আছে। এজন্য ইমাম তহাবী রহ. বলেন, وقد أجمع الذين يقنتون قبل الركوع على الرفع معها ‘যারা রুকুর পূর্বে কুনূত পড়ার কথা বলেন তাদের ইজমা রয়েছে যে, এই তাকবীরের সাথে রাফয়ে ইয়াদাইনও করতে হবে।’ (তহাবী ১/৩৩২) এ প্রসঙ্গে সাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে কিছু দলিল উল্লেখ করা হল। কেননা, সাহাবায়ে কেরামের আমল নিশ্চয় নবী ﷺ-এর সুস্পষ্ট শিক্ষা থেকেই গৃহীত আমল।

১. আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, মাসরূক রহ., আসওয়াদ রহ. ও ইবনে মাসউদ রাযি.-এর অন্য শাগরিদগণ বলেছেন,

وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ لا يَقْنُتُ إلا فِي الْوِتْرِوَكَانَ يَقْنُتُ قَبْلَ الرُّكُوعِ يُكَبِّرُ إِذَا فَرَغَ مِنْ قِرَاءَتِهِ حِينَ يَقْنُتُ

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. শুধু বিতর নামাযে কুনূত পড়তেন আর তিনি কুনূত পড়তেন রুকুর আগে এবং কিরাআত সমাপ্ত হওয়ার পর কুনূত পড়ার সময় তাকবীর দিতেন। (শরহু মুশকিলিল আছার ১১/৩৭৪ মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা ২/৩০৭)

২. ইমাম বুখারী রহ. জুয্‌উ রাফয়িল ইয়াদাইন (পৃ. ৬৮)-এ উল্লেখ করেছেন, عن أبي عثمان كان عمر رضي الله عنه يرفع يديه في القنوت আবু উছমান বলেন, ‘উমর রাযি. কুনূতে রাফয়ে ইয়াদাইন করতেন।’

৩. ইমাম বাইহাকী রহ. উল্লেখ করেছেন, إن عدداً من الصحابة – رضي الله عنهم – رفعوا أيديهم في القنوت ‘নিশ্চয় সাহাবায়ে কেরামের অনেকেই কুনূতে রাফয়ে ইয়াদাইন করতেন।’ (আস সুনানুল কুবরা ২/২১১)

পাঁচ. রাফয়ে ইয়াদাইন (হাত উত্তোলন) পর হাত কী করবে? এর তিনটি পদ্ধতি হতে পারে- ১. দোয়ার মতো হাত উঠিয়ে রাখবে ২. রাফয়ে ইয়াদাইন (হাত উত্তোলন) করার পর কওমার মত হাত ছেড়ে দিবে ৩. রাফয়ে ইয়াদাইনের পর কিয়ামের মত দুই হাত বেঁধে নিবে।

প্রথম পদ্ধতিটি হানাফী ইমামগণের নিকট পসন্দনীয় নয়। কেননা, যদিও হাত তুলে দোয়া করাই দোয়ার সাধারণ নিয়ম কিন্তু নামাযের যত জায়গায় দোয়া আছে কোথাও হাত ওঠানোর নিয়ম নেই। সুতরাং দোয়ায়ে কুনুতের সময়ও এর ব্যতিক্রম হবে না। এজন্যই ইবনে উমর রাযি. এই পদ্ধতিকে বিদআত বলেছেন। তিনি বলেন,

أرأيتم قيامكم عند فراغ الإمام من السورة هذا القنوت والله إنه لبدعة ما فعله رسول الله ﷺ غير شهر ثم تركه أرأيتم رفعكم في الصلاة والله إنه لبدعة ما زاد رسول الله ﷺهذا قط فرفع يديه حيال منكبيه، رواه الطبراني في الكبير وفيه شهر بن حوشب ضعفه أحمد وابن معين وأبو زرعة وأبو حاتم والناسئي ووثقه أيوب وابن عدي

দেখ,তোমরা যে ফজরের নামাযেও ইমামের কিরাত শেষে কুনূতের জন্য দাঁড়াও,আল্লাহর কসম,এটা বিদআত। নবী ﷺ তা শুধু এক মাস করেছেন। দেখ, তোমরা যে নামাযে হাত তুলে কুনূত পড়, আল্লাহর কসম, এটিও বিদআত। নবী ﷺ তো শুধু কাঁধ পর্যন্ত হাত তুলতেন। (আলমু’জামুল কাবীর তবারানী; মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৩৭)

উপরোক্ত রেওয়ায়েতের সরল অর্থ এটাই যে, নবী ﷺ কুনূতের জন্য যদিও রাফয়ে ইয়াদাইন করতেন কিন্তু দোয়ার মতো হাত উঠিয়ে কুনূত পড়তেন না।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদ্ধতি সম্পর্কে কথা এই যে, কুনূত যদি রুকুর আগে পড়া হয়, যেমন বিতরের কুনূত, তো রুকুর আগের হালত যেহেতু কিয়ামের হালত, আর কিয়ামের হালতে হাত বাঁধা সুন্নত তাই এ সময় হাত বাঁধা থাকবে। পক্ষান্তরে কুনূতে নাযিলা যেহেতু রুকুর পর কওমার হালতে পড়া হয় আর কওমার হালতে হাত বাঁধা সুন্নত নয় এজন্য এ কুনূত হাত ছেড়ে পড়া হবে।

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
The post বিতির নামায সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তির জবাব appeared first on কোরআনের জ্যোতি.

রোযার প্রচলিত নিয়তের হুকুম কী?

প্রশ্ন

From: মোঃনেছার উদ্দিন। সরকারি মাদ্রাসা- ই – আলিয়া, ঢাকা
বিষয়ঃ নিয়্যত সংক্রান্ত

প্রশ্নঃ
السلام عليكم ورحمةالله আহলে খবিশের একজন শায়েখের একটা video দেখলাম ওনি আমাদের দেশে প্রচলিত নামাজের নিয়্যত রোজার নিয়্যত এগুলো প্রচন্ড তুচ্ছতাচ্ছিল্ল করলেন। ওনি বল্লেন যে সেহরি খাওয়া হয় ভোররাতে এবং নিয়্যাত করে আছুমা গাদাম মানে আগামীকালের, যারা এই নিয়ত বানিয়েছে তাদেরকে মূর্খ জাহেল বলে তিরস্কার করলেন, এ জাহেলদের কি জবাব দেয়া যায় দয়াকরে হুজুর আপনার নিকট জানতে চাচ্ছি।

উত্তর

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

আমরা আহলে হাদীসদের মাসলাকের বিরোধীতা করি। তাই বলে তাদের ব্যক্তি আক্রমণ করি না। এটা ঠিক নয়। আহলে হাদীসদের আহলে খবীশ বলা উচিত নয়।

আমরা তাদের সব বিষয়ের বিরোধীতা করি না। যেসব বিষয় কুরআন ও সুন্নাহের খেলাফ শুধু সেসবেরই বিরোধীতা করি।

তাদের সঠিক কথাগুলোকে সমর্থন করি। ভুলগুলোকে শুধরে দেই।

যেমন রোযার নিয়ত সংক্রান্ত আমাদের দেশে প্রচলিত যে দুআ রয়েছে “আছুমা গাদাম” বলে এর সত্যিকার কোন প্রমাণ নেই।

তাই এটি পরিত্যাজ্য। নিয়ত মনে মনে করলেই হয়। মুখে বলা জরুরী নয়।

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

ইমেইল– [email protected]

The post রোযার প্রচলিত নিয়তের হুকুম কী? appeared first on আহলে হক বাংলা মিডিয়া সার্ভিস.

জমি ক্রয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উকীল নিজের জন্য জমি ক্রয় করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেবার হুকুম কী?

প্রশ্ন

From: M M S Hossain
বিষয়ঃ ক্রয়-বিক্রয়

প্রশ্নঃ
আচ্ছালামু আলাইকুম
জনাব আমার থেকে এক ব্যক্তি নয় লক্ষ টাকা এ কথা বলে নিয়েছে যে সে আমাকে অর্ধ কাঠা জায়গা দিবে। এবং পরবর্তীতে জমীন রেজিস্ট্রারির জন্য আরও পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু সে আমার নামে জমীন রেজিস্ট্রারী করে নাই। বরং তার নিজের নামেই করেছে। কিছু দিন পরে সে আমাকে জমীন বিক্রি না করেই জমীনের আনুমানিক দাম ধরে এগার লক্ষ টাকা প্রদান করে। অথচ সে আমার থেকে মোট সাড়ে নয় লক্ষ টাকা নিয়েছিল।
এমতাবস্হায় আমার জন্য কি আমার দেয়া সাড়ে নয় লক্ষ টাকার অতিরিক্ত(দেড় লক্ষ) টাকা নেয়া হারাম হয়েছে?

উত্তর

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

উত্তরটি বুঝার জন্য দু’টি পারিভাষিক শব্দ বুঝে নিন।

প্রশ্নোক্ত বিষয়ের মাঝে টাকা প্রদানকারী ব্যক্তি আপনি হলেন “মুয়াক্কিল”। আর যাকে জমি ক্রয়ের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেছেন, তিনি হলেন আপনার “উকীল”।

নয় লাখ টাকার বিনিময়ে আধা কাঠা জমি ক্রয়ের জন্য যাকে ওকীল বানানো হয়েছে, তিনি যখন মুয়াক্কিলের টাকায়ই জমিটি ক্রয় করেছে। তখন জমিটি মুয়াক্কিলের জন্য হয়ে গেছে।

নিজের নামে উক্ত জমির রেজিষ্ট্রারী করা উকীলের জন্য জায়েজ হয়নি।

তাই টাকা নয়, আধা কাঠা জমি মুয়াক্কিলকে ফেরত দেয়া আবশ্যক।

হ্যাঁ, জমিটি বুঝে পাবার পর যদি মুয়াক্কিল উক্ত জমিটি উকীলের কাছে বিক্রি করে ক্রয় করা টাকার চেয়ে বেশি মূল্যে তাহলে তা ক্রয় করে নেয়া উকীলের জন্য বৈধ হবে।

যেমন প্রশ্নে উল্লেখিত সূরতে নয় লাখ টাকায় ক্রয় করা জমিটি এগার লাখ টাকায় উকীল ক্রয় করে নিলে উক্ত ক্রয় বিক্রয় বিশুদ্ধ হবে। সেই হিসেবে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ মুয়াক্কিলের জন্য জায়েজ হবে।

কিন্তু উপরোক্ত পদ্ধতি ব্যতীত নয় লাখ টাকা প্রদান করে পরবর্তীতে এগার লাখ টাকা গ্রহণ করা সুদ হবে। যা গ্রহণ করা বৈধ হবে না।

তাই আপনার উচিত উকীলের কাছে থেকে প্রথমে জমি বুঝে নেয়া, তারপর ইচ্ছে হলে জমিটি তার কাছে এগার বা তার চেয়ে কমবেশি মূল্যে বিক্রি করে টাকা গ্রহণ করা।

المال الذى قبضه الوكيل بالبيع والشراء وإيفاء الدين واستفائه، والما الذى قبضه الوكيل بقبض العين بحسب وكالته، هو فى حكم الوديعة بيد الوكيل (شرح المجلة لسليم رستم باز-784، رقم المادة-1463)

وإن بشراء شيء بغير عينه فاشراء للوكيل إلا إذا نواه للمؤكل وقت الشراء، أو شراه بماله أى بمال المؤكل (الدر المختار، كتاب الوكالة، باب الوكالة بالبيع والشراء-8/252)

وليس للمودع حق التصرف والاسترباح فى الوديعة (المبسوط للسرخسى، كتاب الوديعة-11/122)

لا يجوز التصرف فى مال غيره بلا إذنه، ولا ولايته (الدر المختار مع الشامى-9/291)

وليس للوكيل بشراء عين شراؤه لنفسه ولا لمؤكل آخر، لأنه يؤدى إلى تغرير الآمر من حيث أنه اعتمد عليه (مجمع الأنهر فى شرح ملتقى الأبحر، باب الوكالة بالبيع والشراء-3/319، البحر الرائق-7/268)

الوكيل بالبيع لا يملك شرءه لنفسه، لأن الواحد لا يكون مشتريا وبائعا، فيبيعه من غيره ثم يشتريه منه، وإن أمره المؤكل أن يبيعه من نفسه وولده الصغير، أو ممن لا تقبل شهادته فباع منهم جاز (رد المحتار-8/257)

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

ইমেইল– [email protected]

The post জমি ক্রয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উকীল নিজের জন্য জমি ক্রয় করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেবার হুকুম কী? appeared first on আহলে হক বাংলা মিডিয়া সার্ভিস.

জমি ক্রয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উকীল নিজের জন্য জমি ক্রয় করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেবার হুকুম কী?

প্রশ্ন

From: M M S Hossain
বিষয়ঃ ক্রয়-বিক্রয়

প্রশ্নঃ
আচ্ছালামু আলাইকুম
জনাব আমার থেকে এক ব্যক্তি নয় লক্ষ টাকা এ কথা বলে নিয়েছে যে সে আমাকে অর্ধ কাঠা জায়গা দিবে। এবং পরবর্তীতে জমীন রেজিস্ট্রারির জন্য আরও পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু সে আমার নামে জমীন রেজিস্ট্রারী করে নাই। বরং তার নিজের নামেই করেছে। কিছু দিন পরে সে আমাকে জমীন বিক্রি না করেই জমীনের আনুমানিক দাম ধরে এগার লক্ষ টাকা প্রদান করে। অথচ সে আমার থেকে মোট সাড়ে নয় লক্ষ টাকা নিয়েছিল।
এমতাবস্হায় আমার জন্য কি আমার দেয়া সাড়ে নয় লক্ষ টাকার অতিরিক্ত(দেড় লক্ষ) টাকা নেয়া হারাম হয়েছে?

উত্তর

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

উত্তরটি বুঝার জন্য দু’টি পারিভাষিক শব্দ বুঝে নিন।

প্রশ্নোক্ত বিষয়ের মাঝে টাকা প্রদানকারী ব্যক্তি আপনি হলেন “মুয়াক্কিল”। আর যাকে জমি ক্রয়ের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেছেন, তিনি হলেন আপনার “উকীল”।

নয় লাখ টাকার বিনিময়ে আধা কাঠা জমি ক্রয়ের জন্য যাকে ওকীল বানানো হয়েছে, তিনি যখন মুয়াক্কিলের টাকায়ই জমিটি ক্রয় করেছে। তখন জমিটি মুয়াক্কিলের জন্য হয়ে গেছে।

নিজের নামে উক্ত জমির রেজিষ্ট্রারী করা উকীলের জন্য জায়েজ হয়নি।

তাই টাকা নয়, আধা কাঠা জমি মুয়াক্কিলকে ফেরত দেয়া আবশ্যক।

হ্যাঁ, জমিটি বুঝে পাবার পর যদি মুয়াক্কিল উক্ত জমিটি উকীলের কাছে বিক্রি করে ক্রয় করা টাকার চেয়ে বেশি মূল্যে তাহলে তা ক্রয় করে নেয়া উকীলের জন্য বৈধ হবে।

যেমন প্রশ্নে উল্লেখিত সূরতে নয় লাখ টাকায় ক্রয় করা জমিটি এগার লাখ টাকায় উকীল ক্রয় করে নিলে উক্ত ক্রয় বিক্রয় বিশুদ্ধ হবে। সেই হিসেবে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ মুয়াক্কিলের জন্য জায়েজ হবে।

কিন্তু উপরোক্ত পদ্ধতি ব্যতীত নয় লাখ টাকা প্রদান করে পরবর্তীতে এগার লাখ টাকা গ্রহণ করা সুদ হবে। যা গ্রহণ করা বৈধ হবে না।

তাই আপনার উচিত উকীলের কাছে থেকে প্রথমে জমি বুঝে নেয়া, তারপর ইচ্ছে হলে জমিটি তার কাছে এগার বা তার চেয়ে কমবেশি মূল্যে বিক্রি করে টাকা গ্রহণ করা।

المال الذى قبضه الوكيل بالبيع والشراء وإيفاء الدين واستفائه، والما الذى قبضه الوكيل بقبض العين بحسب وكالته، هو فى حكم الوديعة بيد الوكيل (شرح المجلة لسليم رستم باز-784، رقم المادة-1463)

وإن بشراء شيء بغير عينه فاشراء للوكيل إلا إذا نواه للمؤكل وقت الشراء، أو شراه بماله أى بمال المؤكل (الدر المختار، كتاب الوكالة، باب الوكالة بالبيع والشراء-8/252)

وليس للمودع حق التصرف والاسترباح فى الوديعة (المبسوط للسرخسى، كتاب الوديعة-11/122)

لا يجوز التصرف فى مال غيره بلا إذنه، ولا ولايته (الدر المختار مع الشامى-9/291)

وليس للوكيل بشراء عين شراؤه لنفسه ولا لمؤكل آخر، لأنه يؤدى إلى تغرير الآمر من حيث أنه اعتمد عليه (مجمع الأنهر فى شرح ملتقى الأبحر، باب الوكالة بالبيع والشراء-3/319، البحر الرائق-7/268)

الوكيل بالبيع لا يملك شرءه لنفسه، لأن الواحد لا يكون مشتريا وبائعا، فيبيعه من غيره ثم يشتريه منه، وإن أمره المؤكل أن يبيعه من نفسه وولده الصغير، أو ممن لا تقبل شهادته فباع منهم جاز (رد المحتار-8/257)

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

ইমেইল– [email protected]

The post জমি ক্রয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উকীল নিজের জন্য জমি ক্রয় করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেবার হুকুম কী? appeared first on আহলে হক বাংলা মিডিয়া সার্ভিস.

সকল প্রবন্ধ-নিবন্ধ

পর্ব ০১: এঁকেছি হৃদয়ে তোমারি নাম…

পর্ব ০২: ইশকে ইলাহী কেন?

পর্ব ০৩: ইশকে ইলাহির প্রভাবসমূহ

পর্ব-০৪: আল্লাহপ্রেমিকের আনন্দ ও বেদনা

ইসলাহী খুতুবাত

ইসলাহী খুতুবাত – প্রথম খন্ড

ইসলাহী খুতুবাত – দ্বিতীয় খন্ড

ইসলাহী খুতুবাত – তৃতীয় খন্ড

ইসলাহী খুতুবাত – চতুর্থ খন্ড

গোপন গুনাহর চিকিৎসা

গোপন গুনাহর চিকিৎসা (পর্ব-০১)

গোপন গুনাহর চিকিৎসা (পর্ব-০২)

গোপন গুনাহর চিকিৎসা (পর্ব-০৩)

গোপন গুনাহর চিকিৎসা (পর্ব-০৪)

গোপন গুনাহর চিকিৎসা (শেষ পর্ব)

দশের সমাহার

পর্ব-০১ : ঈমানের ফজিলত

পর্ব-০২ : মহররম ও আশুরার ফজিলত

পর্ব-০৩ : ইলমের ফজিলত

পর্ব-০৪ : জান্নাত লাভের দশ আমল

পর্ব-০৫ : এক মিনিটের দশ আমল

পর্ব-০৬ : প্রতি দিনের কথা ও কাজ সাজিয়ে তুলুন দশটি সহজ জিকির দ্বারা

পর্ব-০৭ : শবে বরাত সম্পর্কে দশটি জরুরি কথা

পর্ব-০৮ : মাহে রমযান: অসংখ্য কল্যাণের হাতছানি

পর্ব-০৯ : সহিহ হাদিসের আলোকে রোজা সম্পর্কে দশটি জরুরি বার্তা

পর্ব-১০ : গর্ভবতী মায়ের ১০ আমল

পর্ব-১১ : সুস্বাস্থ্যের জন্য ১০ আমল

পর্ব-১২ : দুশ্চিন্তা দূর করার ১০ আমল

পর্ব-১৩: সন্তান লাভের ১০ আমল

The post সকল প্রবন্ধ-নিবন্ধ appeared first on কোরআনের জ্যোতি.